আজ - | | হিজরী

৫ উইকেটের জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ♦♦ ১২ দিনের ‘ঝড়ে’ বাশারের পতন, মস্কোয় আশ্রয় ♦♦ ভারতকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ ♦♦ দেশ পুনর্গঠনের জন্য জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে: তারেক রহমান ♦♦ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের গাড়িবহরে হামলা ♦♦ জি এম কাদেরকে গ্রেপ্তারে আইনি নোটিশ ♦♦ ভারত ইস্যুতে কঠোর বিএনপি ♦♦‘অভিভাবকহীন’ দুদকে টালমাটাল অবস্থা ♦♦ নির্বাচন নিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার বক্তব্য ‘ব্যক্তিগত’ ♦♦ বাংলাদেশ নিয়ে অপপ্রচার বন্ধে ফেসবুকের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা ♦♦ জুলাই বিপ্লবে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে মানবিক ভূমিকায় বিজিবি* ♦♦ দুটি লাইসেন্স বিহীন ভুয়া ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয় ♦♦ ট্রাম্প বলেছেন, মিশ্র অভিবাসন অবস্থানে থাকা পরিবারগুলোকে হয়তো দেশে ফেরত পাঠানো হবে ♦♦ ভারতের অপতথ্য প্রচারে আমাদের ক্ষতি নেই: উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন ♦♦    

পার্বত্য চট্টগ্রামের ১০০ স্কুলে চলতি বছরে ই-লার্নিং চালুর নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ডিপিসি বাংলা সংবাদ
  • আপডেট টাইম :   শুক্রবার | জুলাই ৪, ২০২৫ | ০৫:৪৪ এএম
  • ৭৪ বার
মোঃ দেলোয়ার হোসেন

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তত একশটি স্কুলে চলতি বছরের মধ্যে ই-লার্নিং কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সকল প্রকার চ্যালেঞ্জ ও সংকট দ্রুত নিরসনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

আজ বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এ নির্দেশ দেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, মুক্তিযুদ্ধ ও দুর্যোগ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা।

বৈঠকে জানানো হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্কুলগুলোতে ভার্চুয়াল শিক্ষার জন্য বিদ্যুতের ঘাটতি, ইন্টারনেট সংযোগের অভাব এবং দক্ষ শিক্ষক সংকট প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
এই সমস্যা সমাধানে প্রধান উপদেষ্টা সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণ এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ও স্টারলিংক সেবা ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি, দক্ষ শিক্ষকের ঘাটতি দূর করতে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব দেন।

প্রফেসর ইউনূস বলেন,
“পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্বল এলাকায় শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রথমেই একশটি স্কুলের তালিকা তৈরি করতে হবে, যেখানে ইন্টারনেটভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে। সংশ্লিষ্ট সব সরঞ্জাম ও অবকাঠামোর তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত কাজ শুরু করতে হবে। চলতি বছরের মধ্যেই ক্লাস শুরু করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন,
“শহরের বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দক্ষ শিক্ষকরা অনলাইনে পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরিশ পড়ালে তারা পিছিয়ে থাকবে না। ভাল শিক্ষক ও শিক্ষার সুযোগ পেলে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী উঠে আসবে।”

বৈঠকে পার্বত্য উপদেষ্টা পার্বত্য অঞ্চলের তিন উপজেলা নিয়ে জীবন-জীবিকার মান উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। প্রধান উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দেন।


জাতীয় ক্যাটেগরির আরো সংবাদ